চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আওতাধীন ফটিকছড়ি উপজেলার ১১ নম্বর ইউনিয়ন ছাত্রদল নেতা মো. মোজাম্মেল হোসেন আর নেই।
অসুস্থতাজনিত কারণে বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম নগরের পশ্চিম ষোলশহর বিবিরহাট এলাকার ভাণ্ডারী লাইনের বাসায় তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।
তিনি ফটিকছড়ির শোভনছড়ি ইউনিয়নের ভূঁইয়াপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোহাম্মদ শাহ আলম (সাদ্দাম)-এর ছেলে।
শুক্রবার সকাল ১১টায় ফটিকছড়ির সুয়াবিল এলাকায় গ্রামের বাড়ি ভূঁইয়াপাড়া জামে মসজিদে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। পরে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
ছাত্রদল নেতা মোজাম্মেল হোসেনের অকাল মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম সম্পাদক মঞ্জুরুল আলম মঞ্জু, পাঁচলাইশ থানা যুবদলের সাবেক সভাপতি মো. আলী সাকি, রাষ্ট্রের আইন কর্মকর্তা ও মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট এনামুল হক, চট্টগ্রাম মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য সাজ্জাদ খান, বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম, পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক মজিব উদ দৌল্লা বাচ্চু, পাঁচলাইশ থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শফিউল আলম শফি, জিলানী ইলেকট্রনিক্স সার্ভিসের পরিচালক মো. আজাদ, এসএম জিলানী, গ্রিনচিলি রেস্টুরেন্টের পরিচালক ইলিয়াছ মো. আকাশ, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মহিউদ্দিন, পশ্চিম ষোলশহর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. জাবেদ, ফটিকছড়ির দাঁতমারা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মেহেদী হাসান, জাতীয়তাবাদী সাইবার দল চট্টগ্রাম মহানগরের দপ্তর সম্পাদক মাহাতাব উদ দৌল্লা মেহেদী, বিএনপি নেতা ইলিয়াস ইলু ও আব্দুল মান্নান, যুবদল নেতা মঈন উদ্দিন মামুন, মো. সালুসহ অনেকে।
শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ মরহুম মোজাম্মেল হোসেনের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যেন তাকে জান্নাতুল ফেরদাউস দান করেন—সে দোয়া করেন। একই সঙ্গে তারা শোকসন্তপ্ত পরিবারকে এ অপূরণীয় ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার জন্য ধৈর্য ধারণের তৌফিক কামনা করেন। আমিন।









