চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) দুবাইভিত্তিক অপারেটর ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার সরকারি সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে ডাকা কর্মবিরতি ৬ষ্ঠ দিনে গড়িয়েছে। এতে তৃতীয় দিনের মত পুরোপুরি বন্ধ আছে বন্দরের সব ধরনের কার্যক্রম। আটকা পড়েছে ১১ হাজারেরও বেশি রপ্তানি পণ্যবাহী কনটেইনার।
উদ্ভূত পরিস্থিতির সমাধান খুঁজতে স্টেকহোল্ডারদের সঙ্গে বন্দর ভবনে বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১০টায় আলোচনায় বসেছেন নৌ-উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) সাখাওয়াত হোসেন ও বন্দরের ঊর্ধতন কর্মকর্তারা।
এদিকে এদিন সকাল থেকে নজিরবীহিন নিরাপত্তা বলয়ে ঢেকে ফেলা হয়েছে চট্টগ্রাম বন্দর এলাকা। বিপুলসংখ্যক পুলিশের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর সদস্যরা।
এর আগে গত শনিবার সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দৈনিক ৮ ঘণ্টা করে কর্মবিরতি শুরু করেন বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারীরা।
দাবির বিষয়ে সরকারের সাড়া না দিয়ে সরকার চুক্তি স্বাক্ষরের তোড়জোড় শুরু করে। পাশাপাশি কিছু শ্রমিক নেতাকেও বদলি করে বন্দর কর্তৃপক্ষ। এতে তিন দিন পর মঙ্গলবার সকাল থেকে ২৪ ঘণ্টা সর্বাত্মক কর্মবিরতি ও বুধবার সকাল থেকে লাগাতার কর্মবিরতি ঘোষণা করে বন্দর রক্ষা সংগ্রাম ঐক্য পরিষদ।
বুধবার দুপুরে চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী নেতারা শ্রমিক নেতাদের সঙ্গে এক জরুরি বৈঠকে বসে আন্দোলনে নৈতিক সংহতি প্রকাশ করেন। ব্যবসায়ী নেতারা আন্দোলনের অন্য কোনো উপায় খুঁজে বের করার অনুরোধ জানান শ্রমিক নেতাদের। তবে শ্রমিক নেতারা কর্মবিরতি থেকে সরে আসতে অস্বীকৃতি জানান।





