২০২৬ সালের শুরুতেই ঊর্ধ্বমুখী ধারায় ছিল বৈশ্বিক দুগ্ধপণ্যের বাজার। সর্বশেষ গ্লোবাল ডেইরি ট্রেডের (জিডিটি) আন্তর্জাতিক নিলামেও এ ধারা অব্যাহত ছিল। এ সময় দুগ্ধজাত পণ্যের গড় মূল্য পৌঁছেছে টনপ্রতি ৩ হাজার ৬১৫ ডলারে, যা আগের নিলামের তুলনায় ১ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি। এর আগে বছর শুরুর নিলামে দুগ্ধজাত পণ্যের মূল্যসূচক ৬ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে গিয়েছিল। খবর ইডেইরি নিউজ ও ফারমারস উইকলি।
তবে এবারের জিডিটি নিলামে পনিরসহ কিছু দুগ্ধজাত পণ্যে দরপতন দেখা গেছে। এ সময় চেডার পনিরের দাম কমেছে ১ দশমিক ৪ শতাংশ। মোজারেলা পনিরের দাম ২ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে। এছাড়া নিলামে পুনরায় অন্তর্ভুক্ত হওয়া ল্যাকটোজের দামও ১ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে।
সর্বশেষ নিলামে মোট ২৭ হাজার ৮২১ টন পণ্য বেচাকেনা হয়েছে, যা আগের নিলামের তুলনায় কিছুটা কম।
দুগ্ধজাত পণ্যের দাম বাড়লেও এখনো বৈশ্বিক দুগ্ধবাজারে বাড়তি সরবরাহ রয়েছে। এনজেডএক্স ডেইরির বিশ্লেষক রোজালিন্ড ক্রিকেট বলেন, ‘নিউজিল্যান্ডে চলতি মৌসুমে এখন পর্যন্ত দুধ উৎপাদন ৩ দশমিক ২ শতাংশ বেড়েছে। এছাড়া স্বল্পমেয়াদে এ প্রবণতায় বড় কোনো পরিবর্তনের আশঙ্কা নেই।’
অতিরিক্ত সরবরাহ থাকার কারণে ২০২৫-২৬ মৌসুমে দুধের মূল্য পূর্বাভাস আবার সংশোধন করেছে ফন্টেরা। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এ সময় প্রতি কেজি মিল্ক সলিডের দাম থাকতে পারে ৮ ডলার ৫০ সেন্ট থেকে ৯ ডলার ৫০ সেন্টে।
রোজালিন্ড জানান, বাড়তি সরবরাহ থাকায় সামনের দিনগুলোয় গুঁড়া দুধের দাম আরো কমে আসতে পারে। তবে যুক্তরাষ্ট্রে ননি ছাড়া গুঁড়া দুধের মজুদ কিছুটা কম থাকায় দামের ঊর্ধ্বমুখিতা ধরে রাখা গেছে।
তিনি আরো জানান, সর্বশেষ জিডিটি নিলামে চীনের ক্রয় আগের মাসের শুরুতে অনুষ্ঠিত নিলামের তুলনায় কম ছিল। এক্ষেত্রে মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, ওশেনিয়া ও ইউরোপের ক্রেতাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা বাড়ায় চীনের অংশগ্রহণ কিছুটা কমেছে।





