– – 

– – 

দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত পরাজিত শক্তি, রাজপথেই মোকাবিলার ডাক মীর হেলালের

ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এমপি বলেছেন, “৭১ ও ২৪’র পরাজিত শক্তি একত্রিত হয়ে দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। আমাদের বিরোধী দল মহান জাতীয় সংসদে বসে এক ধরনের বক্তব্য দেয়, আর বাইরে এসে ঠিক তার উল্টো বক্তব্য দেয়। এই দ্বিচারিতার রাজনীতি জাতি ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে।”
মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে আয়োজিত প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর র‍্যালিপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “জাতীয়তাবাদী যুবদল বিএনপি পরিবারের সবচেয়ে সুশৃঙ্খল সংগঠন। যুবদলের নেতাকর্মীরা পলাতক ফ্যাসিস্ট হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে।” এ সময় তিনি দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে যুবদলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।
তিনি আরও বলেন, “পলাতক খুনি হাসিনার শাসনামলে দেশের গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, দেশের উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হয়েছে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশ পুনর্গঠনে দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। ফ্যাসিস্ট হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছে, তার এ দেশে ফিরে আসার সুযোগ নেই। আর আসতে চাইলে দেশের প্রচলিত আইনেই বিচার হবে।”
চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদের সঞ্চালনায় প্রধান বক্তার বক্তব্যে চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক ও চট্টগ্রাম-৮ আসনের এমপি এরশাদ উল্লাহ বলেন, “যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আমাদের অঙ্গীকার হোক—আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব, সংগঠনকে শক্তিশালী করব এবং মানুষের পাশে দাঁড়াব।” তিনি এ সময় যুবসমাজকে দেশ গঠনের কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সদস্য সচিব নাজিমুর রহমান বলেন, “আমাদের প্রত্যেকের দায়িত্ব ব্যক্তিস্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দলীয় শৃঙ্খলা, পারস্পরিক সম্মান এবং জনমানুষের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দেওয়া।” একটি সাম্য ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো এবং সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখার জন্য তিনি চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের প্রতি আহ্বান জানান।
বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন বক্কর বলেন, “এ দেশের প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রাম, বিশেষ করে স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী আন্দোলন, গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলন ও ফ্যাসিস্ট হাসিনাবিরোধী আন্দোলনে যুবদলের নেতাকর্মীরা রাজপথে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল অতীতের ন্যায় সুশৃঙ্খল ও ঐক্যবদ্ধ সংগঠন।”
বিশেষ অতিথি চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী বেলাল উদ্দিন বলেন, “যুব ঐক্য প্রগতির মূলমন্ত্রে ১৯৭৮ সালের ২৭ অক্টোবর প্রতিষ্ঠার পর থেকে জাতীয়তাবাদী যুবদল স্বগৌরবে এগিয়ে যাচ্ছে আপন মহিমায়। প্রতিহিংসা নয় সহনশীলতা, বিভেদ নয় ঐক্য, দখলদারিত্ব নয়—জনসেবাই হোক আমাদের রাজনৈতিক চর্চার মূল ভিত্তি।”
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মহানগর যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ইকবাল হোসেন, সহ-সভাপতি এস এম শাহ আলম রব, শাহেদ আকবর, এম এ রাজ্জাক, ফজলুল হক সুমন, মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, আব্দুল গফুর বাবুল, মোহাম্মদ মুসা, মিয়া মোহাম্মদ হারুন, নাসির উদ্দিন চৌধুরী নাসিম, জসিমুল ইসলাম কিশোর, অ্যাডভোকেট ফিরোজ, অরুপ বড়ুয়া, মোহাম্মদ আলী সাকি; সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন; যুগ্ম সম্পাদক হাবিবুর রহমান মাসুম, হুমায়ুন কবির, মোহাম্মদ সেলিম খান, ইকবাল পারভেজ, রাশেদুল হাসান লেবু, আব্দুল্লাহ আল টিটু, মোঃ এরশাদ হোসেন, মো. তাজুল ইসলাম তাজু, আব্দুল হামিদ পিন্টু, সেলিম উদ্দিন রাসেল, তৌহিদুল ইসলাম রাসেল, শাহীন পাটোয়ারী; সাংগঠনিক সম্পাদক এমদাদুল হক, একরামুল হক ছুট্টু, রাজন খাঁন, ওমর ফারুক; সহ-সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস আলম, আসাদুর রহমান টিপু, সাজ্জাদ হোসেন সাজু, জাহাঙ্গীর আলম বাচা, ওসমান গনি শিকদার, শাহজালাল পলাশ, মুজিবুর রহমান রাসেল, আহাদ আলী সায়েম, জমির উদ্দিন মানিক, রাসেল নিজাম, মো. হেলাল হোসেন।
আরও উপস্থিত ছিলেন গুলজার হোসেন, তানভীর মল্লিক; সম্পাদকীয় মণ্ডলীর সদস্য জিল্লুর রহমান জুয়েল, জসিম উদ্দিন সাগর, মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, মোহাম্মদ আলী, মহিউদ্দিন মুকুল, ইফতেখার শাহরিয়ার আজম, এস এম বখতিয়ার উদ্দিন, মোহাম্মদ নুরুল আমিন, মোহাম্মদ ইকবাল, মোহাম্মদ নওশাদ, গাজী ফারুক; সহ-সম্পাদক মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, মনোয়ার হোসেন মানিক, কমল জ্যোতি বড়ুয়া, কামরুল ইসলাম, জিয়াউল হক মিন্টু, কোরবান আলী, মোহাম্মদ শাহেদুল ইসলাম, মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম জহির, হামিদুল হক চৌধুরী, আরিফ হোসেন, মেজবাহ উদ্দিন মিন্টু, মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন, হাফেজ কামাল উদ্দিন, নুরুল ইসলাম আজাদ, হোসেন জামান, দেলোয়ার হোসেন, সাইদুল ইসলাম, মোহাম্মদ ইদ্রিস, গুলজার হোসেন মিন্টু, জাহাঙ্গীর আলম বাবু, জাহাঙ্গীর আলম মানিক, আবদুল্লাহ আল মামুন জিতু, মোহাম্মদ হাসান, নুর জাহেদ বাবলু, মিজানুর রহমান দুলাল, মিফতাহ উদ্দিন শিকদার টিটু; সদস্য হাবিবুল্লাহ খাঁন, শাবাব ইয়াজদানী, মোহাম্মদ কলিম উল্লাহ, মোহাম্মদ সাইদুল হক সিকদার, আবদুল্লাহ আল মামুন, আবদুস সাত্তার, জাহেরী মাসুদ; থানা যুবদলের আহ্বায়ক বজল আহমেদ, শফিউল আজম, গিয়াস উদ্দিন টুনু, মোশাররফ আমিন সোহেল, মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, মোহাম্মদ ইসমাইল, কুতুবউদ্দিন, ইসমাইল হোসেন লেদু; সদস্য সচিব মো. হাসান, শেখ রাসেল, শওকত খান রাজু, মনজুর আলম মঞ্জু, মো. ইলিয়াস খান, তাজ উদ্দিন তাজু, মো. রাশেদ, আশিক মল্লিক আরসি, মো. মুসা, হাবিবুল্লাহ খান রাজু, মো. ইয়াছিন, মোর্শেদ কামাল, সাইফুল ইসলাম রুবেল, মো. সোহেল, নুর খান, সাজ্জাদ হোসেন সাদ্দাম, নুর উদ্দিন শরীফ ও দিদার প্রমুখ।